চলুন জেনে নেওয়া যাক
আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রোজ বুধবার পবিত্র শবে বরাত। শবে বরাত রাত হল জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার রাত। ইসলাম ধর্মে গুরুত্বপূর্ণ চারটি রাতের অন্যতম শবে বরাতের পরম করুণাময় তার বান্দার জন্য খুলে দেন রহমত আর দয়ার ভাণ্ডার। এই রজনী জানান দেয় রমজানের আগমনী বার্তা।
শবে বরাতে যা যা করবেন
মহান আল্লাহ বান্দাকে সুযোগ দিয়ে থাকেন। পবিত্র শবে বরাতও বিশেষ একটি সুজগ। এটি মুমিনদের মুক্তির রাত। তাই এটি নামকরণ হয়েছে শবে বরাত নামে।
করনীয়
এ রাতে অবারিত রাহমের বারিধারা বর্ষণ হয়। পাপ মার্জনার ঘোষণা হয়। মুমিনদের উচিত এ সুযোগকে কাজে লাগানো।
নফল নামাজে মগ্ন হওয়া
ফরজ ইবাদতে আমরা ত্রুটি করে থাকি, নফলের মাধ্যমে ফরজের ঘাটতি দূর হয়। এই জন্য উচিত, বেশি বেশি নফল নামাজ পরা। তবে লক্ষ্য রাখা উচিত সারা রাত নফল নামাজ পর যেন ফরজ নামাজের ত্রুটি না হয়।
দোয়ায় শামিল হওয়া
মুমিনরা চায় তাদের মনোবাসনা পূরণ করতে, তায় এই রাতে উচিত বেশি বেশি দোয়া করা, আল্লাহর কাছে তাওবা করা,অতিত করা কাজের জন্য অনুসুচনা করা ,অতিত জীবনের জন্য লজ্জিত হয়া।
কোরআন তেলওয়াত করা
এই রজনীতে কোরআন পাঠ করলে অনেক সওয়াব লাভ করা জায়। এবং তেলওয়াতেও একটা আলাদাই শান্তি অনুভব করা যায়।
যে যে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে
এই রজনিতে মনগড়া ইবাদত অগ্রহণযোগ্য। নবীজি সল্লালাহু আলাইহি অয়া সাল্লাম নব আবিষ্কৃত জিনিসকে বেদাত বলে আখ্যায়িত করেছেন। হাদিসে ইরশাদ হয়ে, আমাদের এ ধর্মে নেই এমন জিনিস যারা উদ্ভাবন করবে তা পরিতাজ্জ।(বুখারি ২৬৯৭)
আতশবাজি ফোটানো
শবে বরাত রাত শুধু মাত্র ইবাদতের জন্য তাই এই রাতে আতশবাজি ফোটানো, রাস্তা ঘাটে যানজট, মিছিল বের করা এসব কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
হালুয়া রুটি বানানো
এই রজনীতে বিশেষ জিনিসের গুরুত্ব বহনকারী নয়। এজন্য হালুয়া তৈরি, রুটি বানানো, এগুলকে আবশ্যক মনে করা বা ইবাদতের অংশ মনে করা একদম ভুল।
.jpg)
Comments
Post a Comment